শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, সকাল ৯:০১
শিরোনাম :
দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন পবিপ্রবিতে পরিবহন সংকট নিরসনে বিআরটিসির দুই ডাবল ডেকার বাস উদ্বোধন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও পারে,নলছিটি উপজেলায় একমাত্র জিপিএ-৫ পেয়েছে ফাহমিদা সুরেন্দ্র ভবন ছাত্রাবাসে সিনিয়রের বিরুদ্ধে জুনিয়রকে স্টাম্প দিয়ে আঘাতের অভিযোগ শায়েস্তাবাদে জনগনের আস্থার প্রতীক বিএনপি নেতা চেয়ারম্যান প্রার্থী হেমায়েত হোসেন মুরাদ!

বরিশালে চিকিৎসক কতৃক আরেক চিকিৎসক হেনস্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক ।। বরিশাল নগরীতে এনেস্থেশিয়া বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. শাওনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও হেনস্তা করার অভিযোগ উঠেছে মিডটাউন হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ডা. আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে। ২ সেপ্টেম্বর রাত ১০টার দিকে মিডটাউন হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, ঘটনার সময় ডা. শাওনকে গালিগালাজ করার পাশাপাশি শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয় এবং পরে হাসপাতালের গার্ড ও স্টাফদের ডেকে তাকে হাসপাতাল থেকে বের করে দেওয়া হয়। এ ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজ সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। যা নিয়ে রীতিমত তোলপাড় চলছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, একটি জরায়ু অপারেশনের রোগীর অস্ত্রোপচারের সময় ডা. আনোয়ার নিজেই এনেস্থেশিয়া প্রয়োগ করেন। একপর্যায়ে রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে অপারেশন সম্পন্ন না করেই সেলাই করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই রোগীকে মিডটাউন হাসপাতালেই ভর্তি রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এনেস্থেশিয়া বিশেষজ্ঞ না হয়েও ডা. আনোয়ার কেন নিজে এনেস্থেশিয়া দিয়েছেন—এমন প্রশ্ন তোলাকে কেন্দ্র করেই ডা. শাওনের সঙ্গে তার বিরোধের সূত্রপাত। একপর্যায়ে বিষয়টি বাকবিতণ্ডায় রূপ নেয় এবং ডা. শাওনকে হেনস্তা করা হয় বলে অভিযোগ।

ডা. শাওনের দাবি, ডা. আনোয়ার কোনো নির্দিষ্ট বিশেষজ্ঞ না হয়েও বিভিন্ন ধরনের অস্ত্রোপচার করেন এবং নিজেই এনেস্থেশিয়া প্রয়োগ করেন। এতে রোগীর নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে—এমন আপত্তি জানানোতেই তাকে হেনস্তার শিকার হতে হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মিডটাউন হাসপাতালের এমডি ডা. আনোয়ার হোসেন। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, “আমি এমবিবিএস পাস। দীর্ঘ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাই সব অপারেশনই আমি পারি। এনেস্থেশিয়া বিষয়েও আমি অভিজ্ঞ। ডা. শাওন ইর্ষান্বিত হয়ে আমার সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ায়। রাগের মাথায় দু-একটা বকাঝকা করেছি। তবে তাকে আমি কোনো প্রকার হেনস্তা করিনি।”